ভালুকা উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস ও ভেটেরিনারি হাসপাতালটি করোনা ভাইরাসের অজুহাতে কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তালা ঝুলিয়ে যার তার বাড়িতে অবস্থান করার ফলে হাসপাতাল থেকে কোনো পরামর্শ পাচ্ছে না গবাদি পশুর মালিকদের অভিযোগ। সময় মতো ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পাওয়ায় উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গরু, ছাগল ও মুরগীর রোগ বেড়েই চলেছে!! মানুষেরই জীবন আছে পশু দের নাই ??😥
হাসপাতালে দায়িত্ব পালনের চেয়ে প্রাইভেট প্র্যাকটিসে ব্যস্ত থাকা এবং গবাদি পশুর মালিকদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগও রয়েছে!!!
চিকিৎসা সেবার জন্য খারুয়ালী থেকে মোছা. লাইলী আক্তার আসেন ছয় মাসের দুটি খাসির বাচ্চা নিয়ে। কয়েকদিন যাবত বাচ্চা দুটির পাতলা পায়খানা করছে ডাক্তারের দেখা না পেয়ে বলেন, আমার কপালে এই ছিল ছাগলের কি চিকিৎসার করাতে পারব না ভাই একটু ফোন করবেন?
নিশিন্দা থেকে বৃদ্ধ ছোলাইমান মিয়ার গরুর চাপড়া খসে যাচ্ছে ডাক্তারের পরামর্শের জন্য আসলেও ডাক্তারের কোন খোজ খবর মেলেনি।
সরজমিনে প্রতিদিনই দেখা যায় প্রতিদিনই মানুষ নিজেদের গৃহপালিত প্রানীর সেবা থেকে বন্চিত হচ্ছে।
গবাদি পশু মালিকরা আরো অভিযোগ করে বলেন, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এম. এম. এ আউয়াল তালুকদার হাসপাতালে কখন আসে আর কখন যান তা কেউ বলতে পারে না। গবাদি পশু মালিকরা পরামর্শ নিতে আসলে ভালোমতো পরামর্শ দেয় না।
অনেকে প্রায় প্রতিদিনই ভ্যাকসিনের জন্য আসলেও দীর্ঘন অপেক্ষা করে হাসপাতালে তালা ঝুলানো দেখে চলে যান।
প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এম. এম. এ আউয়াল তালুকদারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মুঠো ফোনে বলেন, হাসপাতাল বন্ধ কিছুই করার নাই।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন